বাংলাদেশে অনেকেই অনলাইন বেটিং শুরু করেন শখ হিসেবে, কিন্তু একটা সময় পর মনে হয় — প্রতিদিন খেলছি, কিন্তু পাচ্ছিটা কী? এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই xbaji12 তার ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরি করেছে। এখানে আপনার প্রতিটি বেটিং শুধু জয়-পরাজয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় — প্রতিটি বেটিং আপনার পয়েন্ট বাড়ায়, স্তর উন্নত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করে।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ Mobile Pay ও Nagad ব্যবহার করেন। xbaji12-এর ভিআইপি উইথড্রয়াল সুবিধা এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে তৈরি। গোল্ড স্তর থেকে উইথড্রয়াল সময় ১০ মিনিট এবং ডায়মন্ডে তা তাৎক্ষণিক — এর মানে রাত ২টায়ও জেতা টাকা সরাসরি আপনার Mobile Pay-এ চলে আসে।
"আমি গোল্ড ভিআইপিতে যাওয়ার পর থেকে আমার একজন ডেডিকেটেড ম্যানেজার আছেন। যেকোনো সমস্যায় সরাসরি তাকে মেসেজ করি — বাংলায়। এটা সত্যিই অনেক সুবিধাজনক।"
— রাজশাহীর একজন গোল্ড ভিআইপি সদস্য
অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে — ভিআইপি প্রোগ্রামে থাকলে কি বেশি বেটিং করতে বাধ্য হতে হয়? একদম না। xbaji12-এর দর্শন হলো, আপনি যে গতিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সেই গতিতেই খেলুন। পয়েন্ট জমা হবে, স্তর বাড়বে — কিন্তু কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যদি কোনো কারণে কম খেলেন, আপনার অর্জিত স্তর অন্তত ৯০ দিন বজায় থাকে।
ভিআইপি প্রোগ্রামের আরেকটি বড় সুবিধা হলো ক্যাশব্যাক ব্যবস্থা। সাধারণ বোনাসে ওয়েজারিং শর্ত থাকে, কিন্তু xbaji12-এর ভিআইপি ক্যাশব্যাকে কোনো ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট নেই। প্রতি সোমবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগের সপ্তাহের ক্যাশব্যাক অ্যাকাউন্টে জমা হয় এবং সেটি সরাসরি উইথড্রয়াল করা যায়।
ক্রিকেট সিজনে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বিশেষভাবে সক্রিয় থাকেন। এই সময়ে xbaji12 ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা বোনাস অফার থাকে — বিশেষত আইপিএল, বিপিএল এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়। প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা এই টুর্নামেন্টগুলোতে বাড়তি অডস বুস্ট ও ফ্রি বেট পেয়ে থাকেন।
সবশেষে একটা কথা বলা দরকার। xbaji12-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম শুধু পুরস্কারের জন্য নয় — এটি একটি দায়িত্বশীল গেমিং সংস্কৃতির অংশ। ভিআইপি সদস্যদের অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাপ্তাহিক খরচের তথ্য দেখানো হয় যাতে তারা নিজেরাই বুঝতে পারেন কখন বিরতি নেওয়া দরকার। এই স্বচ্ছতাই xbaji12-কে বাংলাদেশের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে রাখে।